আশা জাগিয়েও বড় স্কোর পেল না চিটাগাং






প্রথম ৫ ওভারে ১০ গড়ে রান তুললো চিটাগাং ভাইকিংস। তারপর দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গেলো তারা। বরিশাল বুলসের বিপক্ষে এবারের বিপিএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে বড় স্কোর গড়া হলো না চিটাগাংয়ের। নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের ৭ উইকেটে ১৩৫ রানে আটকে দিলো বরিশালের বোলাররা।

নিয়মিত অধিনায়ক তামিম ইকবাল কুঁচকির ইনজুরির কারনে এই ম্যাচে খেলছেন না। তার বদলে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিলকারত্নে দিলশান। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে দিলশানের সাথে ব্যাটিং ওপেন করেন এনামুল হক। দুই প্রান্ত থেকে দুজন ঝড় তুলতে শুরু করেন। ষষ্ঠ ওভারেই ৫০ পেরিয়ে যায় চিটাগাংয়ের স্কোর।

ষষ্ঠ ওভারেই আল আমিন হোসেনকে পর পর দুটি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন দিলশান। ওই ওভারেই আল আমিনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরার সময় দিলশানের সংগ্রহ ২২ বলে ২৮। ওপেনিং জুটিতে আসে ৫২ রান। এক ওভার পরই সোহাগ গাজীকে কাট করতে গিয়ে বোল্ড হন এনামুল। ১৮ বলে ২টি চার ও ২টি ছক্কায় ২৮ রান করেন এনামুল।

এই দুই উইকেট হারানোর সাথে রানের গতিও হারিয়েছে চিটাগাং। সেটা আর ফিরে পায়নি ইনিংসে। বরং ইনিংসের মাঝ পথে তারা চাপে পড়ে যায়। ইয়াসির আলী (১১) ও জিবন মেন্ডিস (৩) ফিরে গেলেন। এর পর ইনিংস টেনে নিতে হবে কাউকে। উমর আকমল সেই দায়িত্বটা নিতে চেয়েও পারলেন না। স্বদেশি মোহাম্মদ সামি ফিরিয়ে দিয়েছেন তাকে। ৩০ বলে ২৫ রান করেছেন উমর। নাইম ইসলামও (৪) দাঁড়াতে পারেননি।

শেষের দিকে আসিফ আহমেদ ১৭ রান করলেন। অপরাজিত ৯ রান আসলো বিলাওয়াল ভাট্টির ব্যাট থেকে। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন সামি ও কেভন কুপার। সোহাগ, মাহমুদ উল্লা ও আল আমিন ১টি করে উইকেট নিয়েছেন।

এবারের আসরে আগের দেখায় চিটাগাংকে ৩৩ রানে হারিয়েছিল বরিশাল। টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ে গেছে চিটাগাং। বরিশাল গেছে সেমিফাইনালে। বরিশাল শেষ ম্যাচ খেলছে শীর্ষ দুইয়ে নিজেদের জায়গা করে নিতে।

সমগ্র বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক

এক্সক্লুসিভ