দুটো ম্যাচে এক রানে এবং একটি ম্যাচে ছয় রানে হেরেছিল সিলেট। একই সঙ্গে উইকেট কিপিং এবং অধিনায়কত্ব করাটা মুশফিকের জন্য বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছিল। সেই জন্য স্বেছায় মুশফিক অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন বলে জানান সিলেট কোচ।
শেষ চারে খেলতে হলে বাকি চারটি ম্যাচই জিততে হবে। তাই শনিবার রাতে টিম মিটিং হয়। সেই মিটিংয়ে সিলেটের মালিক পক্ষসহ দলের কোচ এবং অধিনায়ক মুশফিকও উপস্থিত ছিলেন। তবে দল কয়েকটি খুব ক্লোজ ম্যাচে হারায় দলের অধিনায়কত্ব করতে আর রাজি ছিলেন না মুশফিক।
রোববার পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থাকা বরিশাল বুলসকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে সিলেট। এ ম্যাচে সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন সিলেটের জুনায়েদ সিদ্দিকী। কিন্তু ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে জুনায়েদের পরিবর্তে আসলেন দলটির কোচ সারোয়ার ইমরান।
সেখানে মুশফিকের পরিবর্তে শহীদ আফ্রিদির অধিনায়কত্ব করার বিষয়টি নিয়ে সিলেটের কোচ সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে জর্জরিত হলেন। মালিক পক্ষের কারণে কি মুশফিকের পরিবর্তে অধিনায়ক হয়েছেন আফ্রিদি?
এ বিষয়ে সারোয়ার ইমরান বলেন, ‘আগের দিন রাতে টিম মিটিং হয় সেখানে মুশিফিকও উপস্থিত ছিলেন। তবে ওই মিটিংয়ে মুশফিক পরের ম্যাচগুলোতে আর অধিনায়কত্ব করবেন না বলে জানান। তাই মুশফিকের পরিবর্তে আফ্রিদিকে অধিনায়ক করা হয়। তবে অধিনায়কত্ব না করলেও মাঠে নতুন অধিনায়ক আফ্রিদিকে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলে সবাইকে আশস্ত করেছেন মুশফিক। এখানে মালিক পক্ষের কোনো চাপ ছিল না, আসলে মুশফিক স্বেচ্ছায় অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিতে রাজি হন। যদিও শহীদ আফ্রিদি মুশফিককে বলেছিল ক্যাপটেন্সি চালিয়ে যেতে, তবে মুশফিক বলেছে আফ্রিদিকে অধিনায়ক করতে।’
শেষ পর্যন্ত আফ্রিদিই অধিনায়ক। দারুণ জয়ে সিলেট শিবিরে আফ্রিদির প্রশংসা পর্ব চলছেই।
