কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বিপক্ষে মুস্তাফিজুর রহমানের বোলিং খুব একটা ভালো হয়নি আজ। ৪ ওভারে দিয়েছেন ৩৩ রান। উইকেট মাত্র ১টি। দল ঢাকা ডায়নামাইটসও হেরেছে ১০ রানে। এমনিতে ম্যাচের সেরা কিংবা অধিনায়কেরাই আসেন ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে। তবে পারফরম্যান্স যা-ই হোক না, দলও জিতুক বা হারুক, আজ মুস্তাফিজকে আসতেই হতো। ছোট্ট এই ক্যারিয়ারে এরই মধ্যে অনেক অর্জন। তাতে যুক্ত হলো আরেকটি স্বীকৃতি। আজকের সবচেয়ে আলোচিত মুখ মুস্তাফিজই।
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে আইসিসির ওয়ানডে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন। সুসংবাদটা পেয়েছিলেন ম্যাচের সময়ই। সতীর্থেরা অভিনন্দন জানিয়েছেন মাঠে। বড় পর্দায়ও বেশ কবার ভেসে উঠেছে অভিনন্দন বার্তা। গ্যালারি থেকে ভেসে এসেছে শুভেচ্ছার করতালি। এ অর্জনে মুস্তাফিজের প্রতিক্রিয়া যথারীতি সংক্ষিপ্ত, ‘ম্যাচের সময় সবাই অভিনন্দন জানিয়েছিল। অনেক ভালো লেগেছে।’
ভালো লাগার মাত্রাটা কেমন? মুস্তাফিজের জবাব, ‘সেরা একাদশে আছি। বেশি খুশি হওয়ারই কথা। ছোট হিসেবে সুযোগ পেলাম, ভালোই লাগছে।’
একাদশে যে সব বোলার সুযোগ পেয়েছেন, অর্থাৎ মিচেল স্টার্ক, ট্রেন্ট বোল্ট, ইমরান তাহির, মোহাম্মদ শামির তুলনায় মুস্তাফিজ ‘ছোট’ই । ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত এ সময়সীমার মধ্যে সবচেয়ে কম ম্যাচও খেলেছেন মুস্তাফিজই। তবে পারফরম্যান্সে তাঁকে সবার ওপরে রাখতেই হবে। এত অল্প সময়ে এত অর্জন, কীভাবে দেখছেন? স্বভাবসুলভ সারল্য ভরা হাসিতে মুস্তাফিজের প্রতিক্রিয়া আরও সংক্ষিপ্ত, ‘ওপরঅলা দিয়েছেন। সব সময় চিন্তা থাকে ভালো করার।’
মাঠে এত সপ্রতিভ, অথচ সংবাদ সম্মেলনে কথাই বেরোতে চায় না মুখ থেকে। পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা থাকলে এত কথার দরকারও বা কী? মুস্তাফিজ এভাবেই বলকে দিয়ে ‘কথা’ বলাতে থাকুন না!
১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত ওয়ানডে উইকেট গড় ইকোনমি স্ট্রাইকরেট
মুস্তাফিজুর রহমান ৬ ১৮ ১২.৬১ ৪.২৫ ১৭.৭
মিচেল স্টার্ক ২২ ৪৭ ১৭.৭০ ৪.৫৫ ২৩.৩
ট্রেন্ট বোল্ট ১৯ ৪০ ২০.৫৫ ৪.৫৬ ২৭.০
ইমরান তাহির ২২ ৩৫ ২৪.৯৭ ৪.৪৬ ৩৩.৫
মোহাম্মদ শামি ১৪ ২৯ ১৯.৫১ ৫.১৫ ২২.৭
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে আইসিসির ওয়ানডে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন। সুসংবাদটা পেয়েছিলেন ম্যাচের সময়ই। সতীর্থেরা অভিনন্দন জানিয়েছেন মাঠে। বড় পর্দায়ও বেশ কবার ভেসে উঠেছে অভিনন্দন বার্তা। গ্যালারি থেকে ভেসে এসেছে শুভেচ্ছার করতালি। এ অর্জনে মুস্তাফিজের প্রতিক্রিয়া যথারীতি সংক্ষিপ্ত, ‘ম্যাচের সময় সবাই অভিনন্দন জানিয়েছিল। অনেক ভালো লেগেছে।’
ভালো লাগার মাত্রাটা কেমন? মুস্তাফিজের জবাব, ‘সেরা একাদশে আছি। বেশি খুশি হওয়ারই কথা। ছোট হিসেবে সুযোগ পেলাম, ভালোই লাগছে।’
একাদশে যে সব বোলার সুযোগ পেয়েছেন, অর্থাৎ মিচেল স্টার্ক, ট্রেন্ট বোল্ট, ইমরান তাহির, মোহাম্মদ শামির তুলনায় মুস্তাফিজ ‘ছোট’ই । ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত এ সময়সীমার মধ্যে সবচেয়ে কম ম্যাচও খেলেছেন মুস্তাফিজই। তবে পারফরম্যান্সে তাঁকে সবার ওপরে রাখতেই হবে। এত অল্প সময়ে এত অর্জন, কীভাবে দেখছেন? স্বভাবসুলভ সারল্য ভরা হাসিতে মুস্তাফিজের প্রতিক্রিয়া আরও সংক্ষিপ্ত, ‘ওপরঅলা দিয়েছেন। সব সময় চিন্তা থাকে ভালো করার।’
মাঠে এত সপ্রতিভ, অথচ সংবাদ সম্মেলনে কথাই বেরোতে চায় না মুখ থেকে। পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা থাকলে এত কথার দরকারও বা কী? মুস্তাফিজ এভাবেই বলকে দিয়ে ‘কথা’ বলাতে থাকুন না!
১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত ওয়ানডে উইকেট গড় ইকোনমি স্ট্রাইকরেট
মুস্তাফিজুর রহমান ৬ ১৮ ১২.৬১ ৪.২৫ ১৭.৭
মিচেল স্টার্ক ২২ ৪৭ ১৭.৭০ ৪.৫৫ ২৩.৩
ট্রেন্ট বোল্ট ১৯ ৪০ ২০.৫৫ ৪.৫৬ ২৭.০
ইমরান তাহির ২২ ৩৫ ২৪.৯৭ ৪.৪৬ ৩৩.৫
মোহাম্মদ শামি ১৪ ২৯ ১৯.৫১ ৫.১৫ ২২.৭